Friday, November 10, 2017

পদ্য বনাম গদ্য



পদ্য বনাম গদ্য
           অধ্যক্ষ আনিসুর রহমান মিঞা (মিকাইল



পদ্য কবিতা সুখ পাঠ্য, পদ্য জীবনের আলো, 
গদ্য কবিতা সাধারণ পাঠকের, পড়তে লাগে না ভাল।
গদ্য যদি পদ্যই হবে, গল্প বলব কাকে ?
ছন্দ দিয়ে লিখলেই কবিতা, পদ্য কয়না তাকে।
লক্ষ লক্ষ তারার মাঝে একটি তারাই খুঁজি,
ধ্রুবতারা বলতে আমি, পদ্য কবিতাই বুঝি।
লয়, তাল, মিল, সব কিছু মিলে পদ্য কবিতা হয়,
গল্প লেখার ঢং এর কবিতা, গদ্য কবিতা কয়।
গদ্য কবিতা! বড়দের খাবার, সাধারণ পাঠকের নয়,
উদারা, মুদারা, তারাতে মিলে, পদ্য কবিতা রয়।
পদ্য কবিতা পাঠের পাঠক কমিল, গদ্য কবিতার ভারে,
পদ্য কবিতার নীতি বাক্য, আকাশে বাতাশে ওড়ে।
গদ্য কবিতা বেলের তুল্য, ভেঙ্গে স্বাদ পেতে হয়,
পদ্য কবিতা আংগুরসম, রসে গাল ভরে রয়।
পদ্য বলি গদ্যই বলি, সব লেখারই সমমান,
নতুন যুগের নতুন সৃষ্টি, দেব তার সম্মান।


(প্রকাশঃ  দৈনিক রানার, ০১ জানুয়ারী ১৯৯৫ ইং, যশোর)  
Continue Reading...

Wednesday, November 1, 2017

রক্ত দিয়ে লেখা

অধ্যক্ষ আনিসুর রহমান মিঞা (মিকাইল)

   


পাট নিয়েছিস, ধান খেয়েছিস, নাইকি তোদের লাজ?
বুলেট দিয়ে করবি শাষণ? দিব নাকো আজ।
ঐ শোন দূরে গুলির আওয়াজ শুনতে পাচ্ছি ভাই,
করিম রহিম তরুন আলী চল তাড়াতাড়ি যাই।
ওই দেখ গান! গুলি ভরাই আছে, ভড়কে যাসনে মনে,
মরি মরব পরাণ যাবে হায়! যাব সব এক সনে।
ঐ গ্রামে শোন, নারীর কন্ঠ ভেষে আসে মোর কানে,
করছে প্রহার মাল নেয়ার আশে, পশ্চিমা কোন জনে।
বাংলা মায়ের সন্তান হয়ে কেমনে সইব প্রাণে,
ধরে আন ওদের, বুঝিয়ে দেই খুন করিয়ে বানে।
শহীদি রক্তে স্নান করি আয়, রাখি বাংলার মান,
স্বাধীনতায় রক্ত দিয়ে লিখে যাই আয়, মাতৃভূমির নাম।
মোদের ত্যাগ, মোদের তীতিক্ষা, হয়তো টিকবে না ভবে,
প্রাণ ত্যাজিব দেশের লাগি, (হয়তো) ইতিহাস হয়ে রবে।
                                                --------------

(প্রথম প্রকাশঃ দৈনিক স্ফুলিঙ্গ, ৩১ মার্চ ১৯৯৬ ইং, যশোর।) 

কবিতাটি আবৃত্তি শুনতে এখানে ক্লিক করুন


কবির আরও কবিতা

 
 
Continue Reading...

Blogroll

About